আপনার ভাষা আমরা জানি
রেফারেল কমিশন, ডাক্তারের পার্সেন্টেজ, প্যাকেজ রেট, ব্যাচ-এক্সপায়ারি — মিটিংয়ে এগুলো আপনাকে বুঝিয়ে বলতে হবে না।
ডাক্তারের চেম্বার, ফার্মেসি, ডায়াগনস্টিক সেন্টার আর হাসপাতাল — এই চারটি প্রতিষ্ঠানের হিসাব, নিয়ম আর ঝামেলা আমরা ভেতর থেকে চিনি। তাই এখানে টেমপ্লেট নয়, আপনার প্রতিষ্ঠানের নিয়মে সিস্টেম বানিয়ে দিই।
একজন রোগী যে পথে চলেন, আমাদের চারটি সিস্টেম ঠিক সেই পথ ধরেই বসানো — চাইলে একটার সাথে আরেকটা যুক্ত করে দেওয়া যায়।
রোগী ফোন করে ডাক্তারের সিরিয়াল নেন, চেম্বারে আসেন।
ডাক্তার কিছু টেস্ট লিখে দেন, রোগী ডায়াগনস্টিকে যান।
রিপোর্ট নিয়ে ফিরে আসেন, প্রেসক্রিপশন ধরে ওষুধ কেনেন।
প্রয়োজনে ভর্তি হন, বেড-অপারেশন-বিল সব একসাথে চলে।
এটাই আমাদের সুবিধা। আপনার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে সিস্টেম বসালে, পাশের চেম্বার বা ফার্মেসিতেও একই ডেটাবেজে যুক্ত করে দেওয়া যায় — রেফারেল, কমিশন আর রোগীর হিস্ট্রি নিজে থেকেই মিলে যায়।
নিচে ক্লিক করে দেখুন কোন প্রতিষ্ঠানে কী কী মডিউল পাবেন, আর সাথে কেমন ওয়েবসাইট থাকছে।
রেফারেল কমিশন, ডাক্তারের পার্সেন্টেজ, প্যাকেজ রেট, ব্যাচ-এক্সপায়ারি — মিটিংয়ে এগুলো আপনাকে বুঝিয়ে বলতে হবে না।
শূন্য থেকে শুরু নয়। আগের প্রতিষ্ঠানে যা তৈরি, তার ওপর আপনার নিয়ম বসানো হয় — তাই সময় ও খরচ দুটোই কম।
রোগীর তথ্য যেনতেন সার্ভারে রাখা যায় না। রোল-ভিত্তিক পারমিশন, লগ আর ব্যাকআপ শুরু থেকেই ধরা থাকে।
রিসেপশন, ল্যাব ও একাউন্টসে গিয়ে বর্তমান কাজের পদ্ধতি দেখে নিই।
কী কী মডিউল, কত সময়, কত খরচ — লিখিতভাবে দিই।
কোড লেখার আগে স্ক্রিন ডিজাইন দেখে আপনি অনুমোদন দেন।
ধাপে ধাপে ডেলিভারি, প্রতি ধাপে আপনার টিম নিজে চালিয়ে দেখে।
পুরোনো ডেটা তোলা, টিম ট্রেনিং, তারপর ৩ মাস ফ্রি সাপোর্ট।
একবার সেটআপ ফি — এর মধ্যেই সফটওয়্যার, ওয়েবসাইট, ডেটা তোলা আর টিম ট্রেনিং। এরপর মাসিক ফি-তে হোস্টিং, আপডেট ও সাপোর্ট।
একক ডাক্তার বা দাঁতের চেম্বার, যেখানে সিরিয়াল আর রোগীর রেকর্ডই মূল কাজ।
ওষুধের দোকান, যেখানে ব্যাচ-এক্সপায়ারি আর বাকির হিসাবই সবচেয়ে বড় ঝামেলা।
চালু ডায়াগনস্টিক সেন্টার বা ল্যাব, যেখানে রিপোর্ট ও রেফারেল কমিশন সামলাতে হয়।
একাধিক ডিপার্টমেন্টের হাসপাতাল, যেখানে ভর্তি থেকে ডিসচার্জ পর্যন্ত সব লাগে।
মাসিক ফি-তে থাকছে হোস্টিং, ব্যাকআপ, নিয়মিত আপডেট ও সাপোর্ট। একাধিক শাখা, কাস্টম মডিউল বা নিজস্ব সার্ভার লাগলে আলাদা কোটেশন দেওয়া হয়।
আপনি যেখানে চান — আপনার নিজস্ব সার্ভারে, নাকি আমাদের সেটআপ করা ক্লাউডে। দুই ক্ষেত্রেই ডেটার মালিক আপনি, এবং কে কোন তথ্য দেখতে পাবে তা রোল অনুযায়ী নির্ধারণ করা থাকে।
চেম্বার সিস্টেম ৭–১০ দিন, ডায়াগনস্টিক বা ফার্মেসি ৩–৫ সপ্তাহ, পূর্ণাঙ্গ হাসপাতাল ৮–১২ সপ্তাহ। স্কোপ চূড়ান্ত হওয়ার দিনই লিখিত টাইমলাইন দেওয়া হয়।
হ্যাঁ। আপনার বর্তমান প্যাড, লোগো, রেফারেন্স রেঞ্জ ও ডাক্তারের সাইনসহ হুবহু একই ফরম্যাটে রিপোর্ট প্রিন্ট হবে।
হবে। ডাক্তারভিত্তিক বা টেস্টভিত্তিক আলাদা হার বসানো যায়, মাস শেষে কার কত পাওনা তার তালিকা নিজে থেকেই তৈরি হয়।
ফার্মেসি POS ও রিসেপশন কাউন্টারের জন্য অফলাইন মোড রাখা যায় — ইন্টারনেট এলে ডেটা নিজে থেকেই সিঙ্ক হয়ে যাবে।
না। এক্সেল, পুরোনো সফটওয়্যার বা খাতার হিসাব — যেভাবেই থাকুক, নতুন সিস্টেমে তুলে দিয়ে মিলিয়ে দেখানো হয়।
আমরা হেলথকেয়ারেই থাকি — কারণ এখানেই আমরা সবচেয়ে ভালো। এর বাইরের কাজ এলে আগে আলোচনা করে দেখি, ঠিকভাবে করতে পারব নিশ্চিত হলে তবেই নিই।
আপনার প্রতিষ্ঠানের ধরন বলুন — একই ধরনের একটি চালু সিস্টেম দেখিয়ে দেব, তারপর আপনি সিদ্ধান্ত নেবেন।
Part of Adil Group Ltd.
One name. Many futures.