স্যাম্পল ঢোকা থেকে রোগীর হাতে রিপোর্ট যাওয়া পর্যন্ত প্রতিটি ধাপ ট্র্যাক হয় — আর রেফারার ডাক্তারের কমিশন মাস শেষে নিজে থেকেই তৈরি থাকে।
রোগী বারবার ফোন করেন, রিসেপশন প্রতিবার ল্যাবে গিয়ে খোঁজ নেয়।
কোন ডাক্তার এই মাসে কত রোগী পাঠালেন, খাতা দেখে হিসাব করতে দুই দিন যায়।
রিসেপশন থেকে ইচ্ছেমতো ছাড় চলে যায়, মাস শেষে আয়ের হিসাব মেলে না।
নিচের প্রতিটি অংশই ডেলিভারিতে অন্তর্ভুক্ত। আপনার প্রতিষ্ঠানে বাড়তি কিছু লাগলে সেটাও যোগ করে দেওয়া যায়।
রোগী ঢোকার প্রথম মিনিট থেকেই সব রেকর্ড হবে।
কোন স্যাম্পল কোন ধাপে আছে, স্ক্রিনেই দেখা যাবে।
আপনার বর্তমান রিপোর্ট যেমন দেখতে, ঠিক তেমনই থাকবে।
আপনার ব্যবসার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হিসাবটা স্বয়ংক্রিয়।
বাসা থেকে স্যাম্পল আনার কাজটাও গুছিয়ে।
পেছনের হিসাবটাও যেন হাতছাড়া না হয়।
রোগী ঘরে বসেই বুকিং দেবেন, রিপোর্ট নামাবেন।
রিসেপশন, ল্যাব ও একাউন্টসের কাজের ধরন দেখে নেওয়া।
আপনার রিপোর্ট ফরম্যাট ও রেট লিস্ট হুবহু সিস্টেমে তোলা।
প্রথমে রিসেপশন ও বিলিং, তারপর ল্যাব ও রিপোর্ট, শেষে কমিশন।
পুরো টিমের ট্রেনিং, তারপর ৩ মাস ফ্রি সাপোর্ট।
না। আপনার বর্তমান প্যাড, লোগো, রেফারেন্স রেঞ্জ ও সাইনসহ হুবহু একই দেখতে হবে — অনেক সময় রোগীই বুঝতে পারেন না যে সফটওয়্যার বদলেছে।
যাবে। ডাক্তারভিত্তিক আলাদা হার, এমনকি টেস্টভিত্তিক আলাদা হারও বসানো যায়।
না। রিপোর্ট ডাউনলোডের লিংক রোগীর নিজস্ব, আর ভেতরে কে কোন তথ্য দেখতে পাবে তা রোল অনুযায়ী নির্ধারিত থাকে।
ডেমোতে আমরা ডায়াগনস্টিক সেন্টার-এর একটি চালু সিস্টেম স্ক্রিন শেয়ার করে দেখাব — কোনো চাপ নেই, পছন্দ হলে তবেই এগোবেন।
Part of Adil Group Ltd.
One name. Many futures.