রিসেপশন, ওয়ার্ড, ওটি, ফার্মেসি, ল্যাব আর একাউন্টস — প্রতিটি ডিপার্টমেন্ট আলাদা কাজ করবে, কিন্তু হিসাব এসে মিলবে এক জায়গায়।
ওয়ার্ড, ওটি, ফার্মেসি আর ল্যাবের কাগজ জোগাড় করে তবেই ছাড়পত্র দেওয়া যায়।
রিসেপশন ফোন করে ওয়ার্ডে জিজ্ঞেস করে, ততক্ষণে রোগী চলে যান।
কে কয়টা ভিজিট করলেন, কোন অপারেশনে কে ছিলেন — খাতা দেখে হিসাব হয়।
নিচের প্রতিটি অংশই ডেলিভারিতে অন্তর্ভুক্ত। আপনার প্রতিষ্ঠানে বাড়তি কিছু লাগলে সেটাও যোগ করে দেওয়া যায়।
বহির্বিভাগের পুরো ভিড় সামলানোর জায়গা।
ভর্তি রোগীর প্রতিটি খরচ যেন বিলে ওঠে।
জরুরি বিভাগের কাজও যেন হিসাবের বাইরে না যায়।
হাসপাতালের নিজস্ব দোকান ও ল্যাব একই সিস্টেমে।
ছাড়পত্রের সময় এক ক্লিকে পূর্ণ বিল।
হাসপাতালের সবচেয়ে বড় খরচটাও সিস্টেমের ভেতরে।
পরিচালক বোর্ডকে দেখানোর মতো হিসাব।
হাসপাতালের ডিজিটাল পরিচয়।
প্রতিটি বিভাগে ঘুরে বর্তমান পদ্ধতি ও ফরম দেখে নেওয়া।
কোন বিভাগে কী লাগবে, লিখিত স্কোপ ও স্ক্রিন ডিজাইন অনুমোদন।
OPD ও বিলিং আগে, তারপর IPD ও ওটি, শেষে পে-রোল ও রিপোর্ট।
বিভাগভিত্তিক ট্রেনিং, ডেটা মাইগ্রেশন, তারপর ৩ মাস ফ্রি সাপোর্ট।
যাবে। হাসপাতালের নিজস্ব সার্ভারে সেটআপ করা যায়, আবার আমাদের ক্লাউডেও রাখা যায় — সিদ্ধান্ত আপনার।
না, এবং সেটাই ভালো। আমরা OPD ও বিলিং দিয়ে শুরু করি, টিম অভ্যস্ত হলে IPD, ওটি ও বাকিগুলো যুক্ত হয়।
যাবে। প্রতিটি পদের জন্য আলাদা পারমিশন সেট করা থাকে, আর কে কখন কী বদলেছে তার লগ থাকে।
ডেমোতে আমরা হাসপাতাল-এর একটি চালু সিস্টেম স্ক্রিন শেয়ার করে দেখাব — কোনো চাপ নেই, পছন্দ হলে তবেই এগোবেন।
Part of Adil Group Ltd.
One name. Many futures.