রোগী নিজেই অনলাইনে সিরিয়াল নেবেন, আগের প্রেসক্রিপশন এক ক্লিকে বের হবে, আর দিন শেষে কত রোগী দেখলেন সেই হিসাব নিজে থেকেই তৈরি থাকবে।
দিনে ৫০-৬০টা সিরিয়ালের ফোন, তার মধ্যে কে এসেছে কে আসেনি — কোনো হিসাব থাকে না।
রোগী ছয় মাস পর এলে আগে কী ওষুধ দিয়েছিলেন, সেটা রোগীর স্মৃতির ওপর নির্ভর করতে হয়।
১৫ দিন পর আসার কথা ছিল — মনে করিয়ে দেওয়ার কেউ নেই, রোগীও ভুলে যান।
নিচের প্রতিটি অংশই ডেলিভারিতে অন্তর্ভুক্ত। আপনার প্রতিষ্ঠানে বাড়তি কিছু লাগলে সেটাও যোগ করে দেওয়া যায়।
রোগী কীভাবে সিরিয়াল নেবেন, আর আপনার সহকারী কীভাবে সামলাবেন — দুটোই এখানে।
একবার রোগী ঢুকলে তার সব তথ্য আজীবন এক জায়গায় থাকবে।
আপনার নিজের প্যাডের ডিজাইনেই প্রেসক্রিপশন ছাপা হবে — হাতে লেখার ঝামেলা নেই।
কত রোগী, কত আয় — দিন শেষে এক পাতায়।
যে রোগী ফিরে আসেন না, তাকে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা।
রোগী Google-এ আপনার নাম লিখলে যেন আপনাকেই পান।
আপনার চেম্বার কীভাবে চলে, ফি কত, প্যাড কেমন — ৩০ মিনিটের কল।
আপনার প্যাড, ফি ও শিডিউল অনুযায়ী সিস্টেম তৈরি (৩–৫ দিন)।
আপনি ও সহকারী মিলে চালিয়ে দেখা, প্রয়োজনমতো বদল।
রোগীদের জন্য অনলাইন সিরিয়াল খুলে দেওয়া।
না। অনেক ডাক্তার শুরুতে শুধু সিরিয়াল আর রোগীর রেকর্ড ব্যবহার করেন, প্রেসক্রিপশন হাতেই লেখেন। পরে সুবিধা মনে হলে ই-প্রেসক্রিপশনে যান।
পারবে। স্ক্রিনগুলো বাংলায় এবং খুব সহজ রাখা হয়। এক দিনের ট্রেনিংই যথেষ্ট, আর না বুঝলে ফোন করলেই আমরা দেখিয়ে দিই।
একই সিস্টেমে সব চেম্বারের আলাদা শিডিউল ও আলাদা হিসাব রাখা যায়, অতিরিক্ত খরচ নেই।
ডেমোতে আমরা ডাক্তারের চেম্বার-এর একটি চালু সিস্টেম স্ক্রিন শেয়ার করে দেখাব — কোনো চাপ নেই, পছন্দ হলে তবেই এগোবেন।
Part of Adil Group Ltd.
One name. Many futures.